
পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত সোমবার (৪ আগস্ট) থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে নদীতীরবর্তী পাঁচ উপজেলা সিরাজগঞ্জ সদর, কাজীপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে ভাঙন-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চলের আবাদি জমি ও ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে বসতবাড়িও। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিবছরই বর্ষায় এমন অবস্থা হয়। আগাম ব্যবস্থা না নিলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়বে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর কাজীপুর পয়েন্টে পানি বেড়েছে ৩ সেন্টিমিটার, যা এখনো বিপৎসীমার ১৯১ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আরও জানান, আপাতত বন্যার শঙ্কা না থাকলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে