সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুদিন ধরে হালকা হলুদ ও সাদা রঙের মুখপোড়া একটি হনুমান লোকালয়ে এবং গাছের ডালে ডালে ঘুরে বেড়াচ্ছে। গতকাল শনিবার উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের মোড়দহ গ্রামের আক্তার হোসেনের বাড়ির একটি গাছে প্রথম দেখা যায় এটি।
আজ রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের মোড়দহ ও কাটারমহল গ্রামের বিভিন্ন বাড়ি এবং বাগানে ঘুরে বেড়াচ্ছে হনুমানটি। মানুষ দেখলেই ভয় পাচ্ছে। গাছ থেকে মাটিতে নামছে না। উৎসুক লোকজন মাঝে মাঝে নিচ থেকে গাছের ডালে কলা ও পাউরুটি ছুড়ে দিচ্ছেন। হনুমানটি সেগুলো ধরে খেলেও বেশিক্ষণ একস্থানে অবস্থান করছে না।
মোড়দহ গ্রামের বাসিন্দা হান্নান আলী জানান, শনিবার সকালে আক্তার হোসেনের বাড়ির একটি গাছে প্রথম হনুমানটি দেখা যায়। লোকজন এগিয়ে এলে এটি দ্রুত অন্যত্র চলে যায়। তবে স্থানীয় লোকজন তাকে খাবার দিলেও কেউ তাকে বিরক্ত করছে না। এই খবর স্থানীয়দের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে, এটি দেখতে ভিড় করছে উৎসুক জনতা। তবে বিষয়টি সিরাজগঞ্জ জেলা বন বিভাগকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ জেলা বন কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হনুমানের উপস্থিতি সম্পর্কে আমরা জানতে পেরেছি। আসলে ভারত থেকে ঝাড়খন্ড হয়ে অনেক পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে আসে। অনেক বনের পাশ দিয়ে ট্রাক চলাচলের সময় দলছুট হনুমান ট্রাকে চেপে বসে এ দেশে চলে আসে। পরে ফিরে যাওয়ার পথ হারিয়ে ফেলে। হনুমানটি ভারত থেকে এসেছে বলে আমাদের ধারণা করা হচ্ছে।’
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘হনুমান ধরার সরঞ্জাম জেলা অফিসে নেই। বিষয়টি রাজশাহী বিভাগীয় বন অফিসে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে এটিকে ধরার প্রস্তুতি চলছে।’ হনুমানটিকে কোনোরকম আঘাত বা বিরক্ত না করার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজনকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে