
স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) দ্রুত অনুমোদন ও পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে সিরাজগঞ্জে যমুনা সেতু পশ্চিমপাড়ে মহাসড়কে করা অবরোধ তুলে নিয়েছেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি চলে দুপুর ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত।
অবরোধের কারণে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ সড়ক যোগাযোগ এক ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকে। এতে প্রায় ২২ জেলার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। অবরোধ তুলে নেওয়ার পর যোগাযোগ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
শিক্ষার্থীরা জানান, গত ২৬ জুলাই থেকে তাঁরা ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি পালন করছেন। আগামী ১৭ আগস্ট একনেক সভায় দাবি পূরণ না হলে তারা গণঅনশনে যাবেন।
শিক্ষার্থী জামাল জানান, ‘স্থায়ী ক্যাম্পাস না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, ফেরার পথ নেই।’
যাত্রী সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘ভোগান্তি হচ্ছে ঠিকই, তবে দাবি দ্রুত মেনে নেওয়া উচিত। কয়েক বছর পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস হয়নি, এটা দুঃখজনক।’
আরেক যাত্রী আল আমিন বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে আন্দোলন করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটলে দায় কে নেবে? দ্রুত সমাধান দরকার।’
অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে