
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. সেলিম রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২। তিনি উপজেলার পোতাজিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব-১২ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১২ সালের ২৩ আগস্ট একই এলাকার মো. ওসমান গনি শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে সিরাজগঞ্জ দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত গত ২৭ আগস্ট রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সেলিম রেজাকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার পর থেকে আসামি সেলিম রেজা আত্মগোপনে ছিলেন। পরে র্যাব-১২-এর অধিনায়কের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযানে ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীকালে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে