
শেরপুরের শ্রীবরদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীবরদী চৌরাস্তা মোড়ে উপজেলার সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার আয়োজনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে একটি মহল শ্রীবরদী উপজেলার কর্ণঝোড়া, বালিজুরিসহ ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে নদী ও পাহাড় ধ্বংস করছে। এ ব্যাপারে প্রশাসন দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। শুধু লোক দেখানো দু-একটি অভিযান পরিচালনা করলেও থেমে নেই বালু উত্তোলন। দ্রুত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে নদী ও পাহাড় বাঁচানোর দাবি জানান বক্তারা।

গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ব্যারিস্টার মো. শাহাদাৎ হোসেন জিকু, শ্রীবরদী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. রোকুনুজ্জামান রুকন, সমাজসেবক মো. রুমান, মো. সুমন, সুলতান মাহমুদ সুমন, আল শাহরিয়ার শুভ, সালমান, আরিফ, শাকিল প্রমুখ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে