সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে অমৃতা ঘোষ (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার রাতে জেলার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। গত ১৮ জুন সে বিষপান করে।
স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধারের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন পাটকেলঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিল মুখার্জি। তিনি বলেন, ‘নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’
অমৃতা ঘোষ সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার মির্জাপুর এলাকার কার্তিক ঘোষের মেয়ে। সে মির্জাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে থানা-পুলিশ জানায়, গত ১৮ জুন পারিবারিক কলহের জেরে বিষপান করে স্কুলছাত্রী অমৃতা ঘোষ। স্বজনেরা তাকে পাটকেলঘাটার বেসরকারি হাসপাতাল সেবা ক্লিনিকে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নেওয়া হয় তাকে। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই মৃত্যু হয় তার।
কুমিরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুলছাত্রীর বিষপানে আত্মহত্যার বিষয়টি দুঃখজনক। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে