
রংপুরে ‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ খোদাই করা একটি টেলিস্কোপ বিক্রির সময় ছয়জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হলেও মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। বাকি তিনজনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার দুপুরে মামলায় গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রংপুর মহানগরীর গোল্ডেন টাওয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে টেলিস্কোপটিসহ ওই ছয়জনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, ঢাকার দেওয়ান খোরশেদের ছেলে দিওয়ান রবিউল সালাম (৪৯), নুরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান (৪৮), পাবনা জেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে শামসুল আলম (৫৯), আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৫৬), পঞ্চগড় জেলার আব্দুর করিমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৪৮) ও রুস্তম আলীর ছেলে শাহ আলম (৪৫)।
শনিবার এ ঘটনায় মামলা হলে আটক ছয়জনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। অন্য তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আসামিরা হলেন, আবদুর রাজ্জাক, জাহিদুল ইসলাম ও শাহ আলম। মামলার বাদী ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা মিজানুর রহমান।
উদ্ধার হওয়া টেলিস্কোপটির গায়ে খোদাই করে লেখা আছে ‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’। এর নিচে লেখা—১৮১৮, এর নিচে বন্ধনীর ভেতরে লেখা আছে—ট্র্যাকার টেলিস্কোপ।
পুলিশ জানায়, কয়েকজন প্রতারক পুরোনো টেলিস্কোপটি বিক্রির জন্য গোল্ডেন টাওয়ার হোটেলে অবস্থান করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে টেলিস্কোপটিসহ ছয়জনকে আটক করে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান বলেন, ‘এ ধরনের টেলিস্কোপ বিভিন্ন বিদেশি জাহাজে শোপিচ হিসেবে দেখা যায়। সম্ভবত সেটি চুরি করে এনে মূল্যবান ধাতব বস্তু হিসেবে বিক্রির প্রক্রিয়া চলছিল। প্রথমে আটক ছয়জনের মধ্যে তিনজন এই প্রতারণার ফাঁদে পড়েছিলেন। পরে বাকি ওই তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
ভুক্তভোগী তিনজনের মধ্যে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে প্রতারণা অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামিকে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে