
একই বাড়িতে সৌদিপ্রবাসী দুই সহোদর ভাইয়ের বউয়ের সঙ্গে রাতের আঁধারে পরকীয়া করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে ধরা পড়েছেন দুই বন্ধু। আটকের পর তাঁদের একই রশিতে বেঁধে মাথা ন্যাড়া করে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ দুই বন্ধুসহ গৃহবধূদের আটক করে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (২৫ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে।
একই বাড়িতে দুই বন্ধু ও দুই বধূর এমন অনৈতিক কাণ্ড ধরা পড়ার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসে থাকার সুযোগে ওই দুই বধূ শ্বশুরবাড়িতে থাকার বদলে বেশির ভাগ সময় কাটাতেন বাবার বাড়িতে। এ সময়ে তাঁদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওই দুই যুবকের। ঘটনার রাতে তাঁরা ওই দুই যুবককে ঘরে ঢুকিয়ে খাওয়াদাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ার ভান করেন। পরে সন্দেহ হলে স্থানীয় বাসিন্দারা বড় বউয়ের রুমের বাক্সের ভেতর থেকে একজনকে এবং ছোট বউয়ের রুমের ওয়ার্ডরোবের ভেতর থেকে একজনকে খুঁজে বের করেন।
জাহেদুল ইসলাম নামের এক প্রতিবেশী বলেন, ‘রাতে বাড়িতে অটো রেখে বাড়ির পাশে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ওই সময় উঠানে ঘোরাঘুরি করছিল দুই বিদেশির বউ। রাত ১১টার দিকে দুজন ছেলে এলে তাদের বাড়িতে ঢুকিয়ে দিয়ে গেট ও দরজা আটকে দেন ওই দুই বধূ। সন্দেহ হলে গ্রামের কযেকজন মিলে ঘরের দরজা খুলে খোঁজাখুঁজি করে দুজনকে বের করি।’
পরে উত্তেজিত গ্রামবাসী চারজনকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। তাঁদের মাথা ন্যাড়া করে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন। এ সময় অনেকে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, ‘তারা অপরাধ করেছে, সে জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের আটক করেছে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় আনে। তারা যে অপরাধ করেছে, সে অপরাধের ধারা অনুযায়ী আমরা আদালতে চালান দিয়েছি।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে