রংপুরের বদরগঞ্জে শান্তা বেগম (৩০) নামের এক নারীকে হত্যার ঘটনায় তাঁর দ্বিতীয় স্বামী মোহাম্মদ আলীকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকা থেকে বদরগঞ্জ থানা-পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলীর বাড়ি বদরগঞ্জ উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের মৌয়াগাছ স্কুলপাড়া গ্রামে।
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি দামোদরপুর ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের অদূরে ভুট্টাখেত থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেন বদরগঞ্জ থানা-পুলিশ। লাশের মুখমণ্ডল, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আগুনে ঝলসানো ছিল।
এ ঘটনায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি শান্তা বেগমের মা ফরিদা বেগম বাদী হয়ে বদরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনি কাউকে আসামি করেননি। তবে ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন শান্তার স্বামী মোহাম্মদ আলী।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বদরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুবক্কর সিদ্দিক জানান, শান্তা বেগমকে হত্যার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তাঁর স্বামী মোহাম্মদ আলী। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানসহ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে