ঢাকায় মাকে খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ কিশোর সোহান (১৪) এক সপ্তাহ পর বাড়ি ফিরেছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের সান্দিড়া গ্রামে নানার সঙ্গে বাড়ি ফিরে সে।
এর আগে ২১ মে (মঙ্গলবার) ‘মায়ের খোঁজে বেরিয়ে নিখোঁজ কিশোর’ শিরোনামে আজকের পত্রিকার অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পর দিন বুধবার রংপুরে তার সন্ধান মিলে।
সোহানের নানা আব্দুস সাত্তার আজকের পত্রিকাকে জানায়, গত ১৭ মে (শুক্রবার) দুপুরে কাউকে না জানিয়ে ঢাকায় গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করা মা সুবর্ণাকে খুঁজতে তাঁর বাড়ি থেকে বের হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র সোহান। এরপর সান্তাহার স্টেশনে ঢাকাগামী ট্রেনে না উঠে ভুলে সে রংপুরগামী আন্তনগর ট্রেনে উঠে রংপুরে নামে।
সেখান থেকে পরদিন শনিবার রংপুরের কাউনিয়া যায় এবং বাদশা নামের এক ব্যক্তি তাকে স্টেশনে একা পেয়ে নাম–ঠিকানা জিজ্ঞেস করেন। এ সময় সোহান ভুল পথে আসার ঘটনা খুলে বলে। এরপর থেকে বাদশা তার কাছেই ছিল।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে সোহানের নিখোঁজের খবর প্রকাশ এবং সোহানের দেওয়া তথ্যমতে তার মায়ের ঠিকানায় এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে যোগাযোগ করেন বাদশা। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বাদশার বাড়ি থেকে সোহানকে নিয়ে রওনা হন তার নানা।
এদিকে ছেলেকে এত দিন দেখতে না পেয়ে ছটফট করা মা সুবর্ণা ঢাকা থেকে গতকাল শুক্রবার দুপুরেই বাড়ি ফেরেন। ছেলেকে জড়িয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ কুমার চক্রবর্তী বলেন, বাদশা নামের এক ব্যক্তি আদমদীঘি থানায় ফোনে বিষয়টি জানায়। থানা–পুলিশ সোহানের নানাকে জানালে তিনি রংপুরে থেকে শুক্রবার সোহানকে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে