
কোথাও পাওয়া যাচ্ছে, কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। পাওয়া গেলেও পাম্প বাদে নির্দিষ্ট দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সদর এলাকার চেয়ে গ্রাম এলাকায় সুযোগ বুঝে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রির খবর পাওয়া গেছে। কেউ আবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের খবর পেয়ে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে বেকায়দায় পড়েছেন যারা গ্রামের দোকান থেকে প্রতিদিন এক বা হাফ লিটার পেট্রল কিনে মোটরসাইকেল চালান।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় একটি মাত্র তেলের পাম্প ‘বাঘা পেট্রোলিয়াম এজেন্সি’। আজ রোববার প্রতি লিটার পেট্রল বিক্রি হয়েছে ১১৬ দশমিক ৯৮ টাকা দামে। দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও কৃত্রিম সংকট এড়াতে সরকারের নির্দেশমতে গাড়ির ধরন অনুযায়ী পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছে। তবে চাহিদা মোতাবেক তেল দেওয়া হচ্ছে না।
মোটরসাইকেলপ্রতি অকটেন/পেট্রল ২ লিটার; প্রাইভেট কার ১০ লিটার; জিপ/মাইক্রো ২০-২৫ লিটার; ডিজেল-পিকআপ/লোকাল বাস ৭০-৮০ লিটার; দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকপ্রতি ২০০-২২০ লিটার দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
গত তিন দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খুচরা ব্যবসায়ীরা ১৩০ থেকে ২০০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। উপজেলার আলাইপুর মহাজনপাড়ার মুদি ব্যবসায়ী মামুন হোসেন ও আইনাল হক ১৩৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি করেছেন। তাঁরা ডিলারদের কাছ থেকে ১৩০ টাকায় কিনে ওই দামে বিক্রি করেছেন। গতকাল শনিবার বিনোদপুর বাজারে বিক্রি হয়েছে ১২৫-১৫০ টাকায়।
আজ রোববার মনিগ্রাম বাজারে দুজন ডিলার প্রতি লিটার পেট্রল বিক্রি করছিলেন ১৫০ টাকা দামে। খবর পেয়ে এক সংবাদকর্মী এক লিটার অকটেন নিতে চাইলে দাম রাখেন ১২৫ টাকা। ১৫০ টাকা দামে বিক্রির কথা জানতে চাইলে বলেন—তাঁর ব্যবসার বদনাম করার জন্য হয়তো কেউ গুজব ছড়িয়েছে। তবে তেল নিয়েছেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে ১৫০ টাকা দামে বিক্রির সত্যতা পাওয়া গেছে।
গত বুধবার বাউসা ইউনিয়নের প্রেমতলি বাজারে আরিফ ও রব্বেলের দোকানে পেট্রল নিতে যান আলমগীর। তিনি জানান, প্রতি লিটার ২০০ টাকা দাম চাইলে তেল না কিনে ফিরে আসেন। বিক্রেতারা জানান, তাঁদের বেশি দামে কিনতে হয়েছে।
পাম্পে তেল নিতে এসেছিলেন বাজুবাঘা এলাকার মোটরসাইকেলচালক আব্দুল হালিম। তিনি জানান, মোটরসাইকেল কেনার পর বেশির ভাগ সময় নিজ এলাকার মধ্যে চলেন। যখন ৮০ টাকা লিটার ছিল, তখন থেকেই হাফ লিটার থেকে এক লিটারের বেশি তেল কেনেননি। গ্রামের দোকানে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে, কোথাও পাওয়া গেলেও দাম বেশি নিচ্ছে। তাই পাম্পে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ১৫০ টাকার তেল পেয়েছেন।
প্রতি লিটার ১৪০ টাকায় কিনে ১৫০ টাকায় বিক্রি করছিলেন পীরগাছা বারভাগি মোড়ের ব্যবসায়ী শিমুল হোসেন। সংবাদকর্মী পরিচয়ে একজন বেশি দামে তেল বিক্রি করতে দেখে তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভয় দেখান। পরে তাঁর কাছে ১০ টাকা লোকসানে এক লিটার তেল বিক্রি করেন। এখন তিনি তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
জানতে চাইলে বাঘা পেট্রোলিয়াম এজেন্সির স্বত্বাধিকারী গোলাম মোস্তফা জানান, তাঁদের বলে দেওয়া হয়েছে, গত মাসের যে পরিমাণ তেল উত্তোলন করা হয়েছে, তার বেশি তাঁরা আর দেবেন না। এ জন্য কোনো বোতল বা ড্রামে করে কেউ তেল দিতে এলে দেওয়া হচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা নিয়ে গিয়ে মজুত করতে পারেন। চাহিদামতো তেল পেলে দিতে পারবেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী আক্তার বলেন, মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। খুচরা দোকানে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পেয়েছেন। সরেজমিনে ধরতে পারলে তাঁদের আইনের আওতায় নেওয়া হবে।

খুলনা মহানগরীর যানজট নিরসনকল্পে কেএমপির ট্রাফিক বিভাগ এবং অটোরিকশার মালিক ও চালক সমিতির নেতাদের সঙ্গে সভা করেছেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। গতকাল সোমবার সকালে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে এ সভা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশালের বাকেরগঞ্জে চাল কম দেওয়ার অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে চেয়ারম্যান হুমায়ন কবিরের ওপর এ হামলা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে প্রতিদিন ২০-২২ হাজার যানবাহন চলাচল করে। ঈদের সময় যমুনা সেতু পারাপার হওয়া যানবাহনের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৬ হাজারের বেশি। চার লেনে আসা এই পরিবহনগুলো যমুনা সেতুর দুই লেনে প্রবেশ করতেই গতি কমে যায়। সৃষ্টি হয় তীব্র যানজটের।
৫ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) এলাকায় নতুন ভবন নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য শতবর্ষীসহ বহু পুরোনো অন্তত অর্ধশত গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। পরিবেশবিদ ও স্থানীয়রা জানান, কেটে ফেলা এসব গাছের মধ্যে অন্তত পাঁচটি শতবর্ষী। তিন মাস ধরে মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টার ও প্রধান ছাত্রাবাসের পেছনের পাহাড়ি এলাকায় এগুলো কাটা হয়
৬ ঘণ্টা আগে