
রাজশাহীর গাছে গাছে আমের মুকুল। কোনো কোনো গাছে মটরদানার মতো গুটি বেঁধেছে ছোট ছোট আম। গুটি ঝরেপড়া রোধে গাছের গোড়ায় পানি দিয়ে যাচ্ছেন চাষিরা। এ অবস্থায় আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহীতে এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। এই বৃষ্টি উপকার করেছে আমের।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক দেবল কুমার মৈত্র আজকের পত্রিকাকে বলেন, শুক্রবার রাত থেকেই রাজশাহীর আকাশ মেঘলা ছিল। রাতেই ওই মেঘ কেটে গিয়ে সকালে ঝলমলে রোদ ওঠে। তবে দুপুর ১২টার দিকে আবার আকাশ মেঘলা হয়ে ওঠে। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে শুরু হয় হঠাৎ বৃষ্টি।
দেবল কুমার মৈত্র আরও বলেন, বৃষ্টি খুব বেশি সময় হয়নি। এই সময়ের মধ্যে তারা ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছেন। এটি স্থানীয় বৃষ্টিপাত। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী ১৫ মার্চ থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
এদিকে আজ শনিবার এ বছরের প্রথম বৃষ্টির পর রাজশাহীর পথঘাট ধুলামুক্ত হয়। গাছের পাতার ওপরে জমে থাকা ধুলোবালি পরিষ্কার হয়ে যায়। গাছপালা সবুজ হয়ে ওঠে। বৃষ্টির পর আবার সূর্য ওঠে। এই কারণে আমের উপকার হয়েছে বলে মনে করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহীর উপপরিচালক মোজদার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বৃষ্টি খুব বেশি হয়নি। কোন কোন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে তাও বলা যাচ্ছে না। তবে শহরে যতটুকু বৃষ্টি হয়েছে তা আমের ক্ষতি করবে না; বরং উপকার হবে। বৃষ্টির পর রোদ উঠে যাওয়ায় ভালো হয়েছে। বৃষ্টির পানির স্পর্শে আমগুলো দ্রুত বেড়ে উঠবে। কিন্তু বৃষ্টির পর রোদ না উঠে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ার আশঙ্কা ছিল। সে রকম কিছু হয়নি।’
কৃষি বিভাগের হিসাবে, রাজশাহীতে এবার ১৯ হাজার ৫৭৮ হেক্টর জমিতে আমবাগান আছে। এসব বাগান থেকে ২ লাখ ২৫ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা আছে। গাছে গাছে প্রচুর মুকুল আসার কারণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের আশা কৃষি বিভাগের।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে