
রাজবাড়ীর পদ্মায় জেলের জালে আটকা পড়া একটি কাতল মাছ বিক্রি হয়েছে ৫৫ হাজার ১০০ টাকায়। মাছটির ওজন ১৯ কেজি। আজ বুধবার ভোরে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চরকর্নেশনা এলাকায় জেলে কৃষ্ণ হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
কৃষ্ণ হালদার জানান, ভোরে তিনি তাঁর দল নিয়ে পদ্মা নদীর চরকর্নেশনা এলাকায় জাল ফেলেন। পরে জাল তুলতেই দেখতে পান বড় একটি কাতল আটকা পড়েছে। সকালে দৌলতদিয়ার চকু মোল্লার আড়তে নিয়ে ওজন দিয়ে দেখেন ১৯ কেজি। পরে উন্মুক্ত নিলামে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে ৫৩ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাজাহান শেখ।
শাজাহান শেখ বলেন, ‘পদ্মা নদীর পানি কমার ফলে এখন মাঝেমধ্যে বড় আকৃতির রুই, কাতল, পাঙ্গাশসহ বিভিন্ন জাতের মাছ ধরা পড়ছে। ভোরে ধরা পরা ১৯ কেজির কাতল মাছটি কুষ্টিয়ার এক ব্যবসায়ীর কাছে ২ হাজার ৯০০ টাকা কেজি দরে ৫৫ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে