
অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের প্রতিবাদে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন জেলেরা। আজ রোববার উপজেলার দৌলতদিয়া মাছের হাটের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়। এতে তিন শতাধিক জেলে ও মাছ ব্যবসায়ী অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দৌলতদিয়া মাছের হাটটি ৩০ বছরের পুরোনো। স্থানীয় জেলেরা পদ্মা নদী থেকে সারা রাত মাছ ধরে এই হাটে বিক্রি করেন। দীর্ঘ কয়েক বছর জেলেরা ১০০ টাকায় ১ টাকা করে খাজনা দিয়ে আসছেন।
কিন্তু হঠাৎ করে বর্তমান ইজারাদার ফরিদ দেওয়ান ১০০ টাকায় ৫ টাকা করে খাজনা ধার্য করেন। যেটা দেওয়া জেলেদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাই আগের খাজনা বহাল রাখতে জেলা প্রশাসকের কাছে দাবি জানান তাঁরা।
শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক, দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, বাজার ও রেলস্টেশন এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।

দৌলতদিয়া বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের সভাপতি মো. মোহন মণ্ডলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আড়তদার আনোয়ার খা, রেজাউল করিম, গোয়ালন্দ জেলে সমবায় সমিতির সভাপতি ইছাক সরদার, সাধারণ সম্পাদক অছেল ব্যাপারী প্রমুখ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে