Ajker Patrika

টানা শৈত্যপ্রবাহের কবলে পঞ্চগড়, বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
টানা শৈত্যপ্রবাহের কবলে পঞ্চগড়, বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা
ঘন কুয়াশায় ঢাকা চারপাশ। পঞ্চগড় সদর উপজেলার তালমা এলাকা থেকে তোলা। ছবি: আজকের পত্রিকা

টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮-১০ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫, সোমবার ৮ দশমিক ৪, রোববার ৭ দশমিক ৩, শনিবার ৮ দশমিক ৩, শুক্রবার ৬ দশমিক ৮, বৃহস্পতিবার ৯ দশমিক ২ এবং মঙ্গলবার ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

টানা শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মাহবুব রহমান বলেন, ‘শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি ও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ভোর বা রাতে বাইরে না যাওয়া, গরম কাপড় ব্যবহার এবং শীত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার পরামর্শ দিচ্ছি।’

হাসপাতালে ভর্তি রোগীর স্বজনেরা জানান, হঠাৎ বেড়ে যাওয়া ঠান্ডার কারণে শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও কাশি দেখা দিচ্ছে। শিশুদের মধ্যে শীতজনিত জ্বর ও কাশি বেড়ে গেলে তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, সকাল ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি। আর্দ্রতা ৯৮ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮-১০ কিলোমিটার।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত