Ajker Patrika

পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

পাবনা প্রতিনিধি
ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
শুক্রবার দুপুরে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা কার্যালয়ের সামনে গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামি। ছবি: সংগৃহীত

নির্মাণাধীন পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও নিরাপত্তাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা করা হলে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন পাবনা পৌর সদরের সাধুপাড়া ঝুটপট্টি এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মাসুদ রানা ওরফে কিলার মাসুদ (৩৫), একই এলাকার মৃত রুস্তম আলির ছেলে সজল আলি (৩২) ও মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে ইসমাইল হোসেন ওরফে নকশাল ইসমাইল (৩৫)।

আজ শুক্রবার দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রেজিনূর রহমান।

মামলার বরাতে রেজিনূর রহমান জানান, হেমায়েতপুরে আড়াই শ কোটি টাকা ব্যয়ে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণকাজ চলছে। বর্তমানে নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি নির্মাণাধীন একটি ভবনে গিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার রফিজ উদ্দিনের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় গত মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁদের আরও কয়েকজন সহযোগী নিয়ে নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁদের বাধা দিলে নিরাপত্তাকর্মী হাবিবুর ও ইমরানকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অফিসের ড্রয়ারে থাকা এক লাখ টাকা নিয়ে অফিসের দরজা, জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে চলে যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আহত দুই নিরাপত্তাকর্মীকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাজিন কনস্ট্রাকশনের পাবনা অফিসের ম্যানেজার রকিবুর রহমান বাদী হয়ে গত বুধবার পাবনা সদর থানায় একটি মামলা করেন। মামলা নম্বর ৩৪। মামলায় চারজনের নামসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।

পরে পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহর নির্দেশে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গতকাল রাতভর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত