
নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা নদীতে ধরা পড়েছে ২৩ কেজি ওজনের এক কোরাল মাছ। মাছটি স্থানীয় বাজারে নিলামের মাধ্যমে ১৭ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকায় কিনে নেন স্থানীয় এক মাছ ব্যাপারী।
শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের হরিক্ষিত বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীতে আনোয়ার হোসেন নামের এক জেলে মাছটি পান।
জানা গেছে, মেঘনা নদীতে ওই জেলে জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন। একপর্যায়ে নদীর কিনারেই কোরাল মাছটি দেখতে পেয়ে ধরে ফেলেন তিনি। পরে মাছটি স্থানীয় বাজারে নিয়ে বিক্রি করেন।
জেলে আনোয়ার জানান, মাছটি জালে বাঁধেনি। নদীর কিনারে ভাসছিল। তিনি বলেন, ‘বিনা জালেই মাছটি ধরেছি। নদীতে ভাসতে থাকা এই বিশাল কোরাল মাছ পেয়েছি। এটা নিঃসন্দেহে আল্লাহর পক্ষ থেকে উত্তম রিজিক।’
আনোয়ার হোসেনের বড় ভাই সিরাজ বলেন, ‘এত বড় মাছ পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। দুই ভাই মিলে কোরাল মাছটি কাঁধে বহন করে বাজারে নিয়ে আসলে স্থানীয় মানুষ দেখে ভিড় করেন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে