
নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে এভারগ্রিন প্রোডাক্ট ফ্যাক্টরি (বিডি) লিমিটেড নামের কারখানার শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনার নিরসন হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ইপিজেড কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত সভায় ওই অবসান ঘটে।
এর আগে গত শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ওই কারখানার শ্রমিক সাইফুল ইসলাম নিখোঁজ হলে পুলিশ উদ্ধার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। এ ঘটনায় কারখানার শ্রমিকেরা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সাইফুল ইসলাম ও তাঁর বাবা শফিকুল ইসলামের মুক্তি চেয়ে এবং কারখানার মহাব্যবস্থাপকের অপসারণ দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেন।
দাবি আদায় না হওয়ায় আজ বুধবার বেলা ১১টার পর কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নীলফামারী সদর থানা ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নেন। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের হস্তক্ষেপে সেখান থেকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে আসেন আন্দোলনকারীরা। এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন, ইপিজেড কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভায় অচলাবস্থার অবসান হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে কাজে যোগদানের আশ্বাস দেন আন্দোলনরত শ্রমিকেরা।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর সাঈদ বলেন, সাইফুল ইসলাম আত্মগোপনে থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করেন। এই অভিযোগে তাঁকে উদ্ধারের পর মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাঁকে ও তাঁর বাবাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আজ বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।
নীলফামারী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আল মাসুদ চৌধুরী বলেন, আজ দুপুরে নীলফামারী আমলি আদালতে সাইফুল ইসলাম ও তাঁর বাবার জামিন আবেদন করা হলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা চাই না ইপিজেড নিয়ে আর কোনো অভিযোগ আসুক। প্রতিটি কারখানায় পিসি কমিটি (পার্টিসিপেটরি কমিটি) করার কথা বলা হয়েছে। পিসি কমিটিগুলো শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে কথা বলবে। কোনো সমস্যা থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। কোনো গুজবে কান দেওয়া যাবে না। শ্রমিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইপিজেড কর্তৃপক্ষ এভারগ্রিন কারখানার মহাব্যবস্থাপককে প্রত্যাহার করেছে। তাদের যৌক্তিক সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। কাল (বৃহস্পতিবার) থেকে শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেবেন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে