নীলফামারীর সৈয়দপুরে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মোখলেছুর রহমান ওরফে মুকুল চৌধুরী (৫৫) নামে এক এনজিও কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার শহরের বিমানবন্দর সড়কে অফিসার্স কলোনি (ফাইভ স্টার) মাঠের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত এনজিও কর্মকর্তা ঠাকুরগাঁও জেলার মধুরামপুর এলাকার মৃত কামরুল ইসলামের ছেলে। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) আশার গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় চান্দিয়ারপুল ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের সদস্যের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে মোখলেছুর রহমান কর্মস্থল সাদুল্যাপুর থেকে মোটরসাইকেলে করে ঠাকুরগাঁও নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই সময়ে সৈয়দপুর বিমানবন্দর সড়কের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাইসাইকেল তাঁর মোটরসাইকেলের সামনে এসে দাঁড়ায়।
এ সময় তিনি ওই বাইসাইকেল আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। এতে তিনি মাথায় ও চোখে গুরুতর আঘাত পান। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে