
নাটোরের নলডাঙ্গায় একটি হোটেলে মরা মুরগি রাখার দায়ে হোটেলের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ রোববার বিকেলে উপজেলার নলডাঙ্গা বাজারের ফজল আলীর হোটেলে এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেদুয়ানুল হালিম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পরে হোটেল থাকা ১০ কেজি মরা মুরগি নষ্ট করা হয়।
জানা গেছে, আজ দুপুরে উপজেলার নলডাঙ্গা বাজারের ফজল আলীর খাবারের হোটেলে খামার থেকে ১০ কেজি মরা মুরগি এনে হোটেলে রান্নার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা নলডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে ইউএনও রেদুয়ানুল হালিম এসে ঘটনার সত্যতা পান। হোটেলের মালিক অপরাধ স্বীকার করায় ভোক্তা-অধিকার আইনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। রেদুয়ানুল হালিম বলেন, নলডাঙ্গা বাজারের একটি খাবারের হোটেলে ১০ কেজি মরা মুরগি রাখার অপরাধে ও হোটেলের মালিক ফজল আলী অপরাধ স্বীকার করায় ভোক্তা-অধিকার আইনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে