নাটোরের গুরুদাসপুরে তরমুজ, বাঙ্গি ও শসা কিনতে আসা পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে মাদ্রাসার নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আটজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার শিধুলী বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন পার্শ্ববর্তী চলনালী গ্রামের শরিফুল ইসলাম (৩৮), শিধুলী গ্রামের বদিবর (৪৪), মকবুল হোসেন (৭০), মো. এনামুল (৪৫), জাকারিয়া (৫০), মওদুদ আহমেদ (৩১), পোয়ালশুড়া-দড়িপাড়া গ্রামের মো. শাহাদৎ (৪৫) ও রিপন সরকার (৩০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুরুদাসপুরের শিধুলী, চলনালী, পোয়ালশুড়া দড়িপাড়া এলাকা তরমুজ, বাঙ্গি ও শসার গ্রাম বলে পরিচিত। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ দুই মাস ফল কিনে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। কিন্তু কিছু লোক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে তাঁদের কাছে চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানালে তারা ব্যবস্থা নেয়।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার হোসেন বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ৮ আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে