
চোর-ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে নারায়ণগঞ্জের সড়ক-মহাসড়ক। বিশেষ করে রাত হলেই বেড়ে যায় দুর্বৃত্তদের উৎপাত। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় গত তিন মাসে ৫১টি চুরি এবং ১৭টি ছিনতাইয়ের মামলা করা হয়েছে; কিন্তু বাস্তবে এর সংখ্যা আরও বেশি। আইনি জটিলতা এড়াতে অনেকেই মামলা করা থেকে বিরত থাকেন। এ ছাড়া থানা থেকে প্রতিকার না পাওয়ার কথাও বলছেন অনেকে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে অস্ত্রের মুখে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। ফলে রাতের বেলায় আতঙ্ক নিয়ে সড়ক-মহাসড়ক পার হতে হয়।
সাইনবোর্ড এলাকার ব্যবসায়ী মাসুম বলেন, আগে জায়গায় জায়গায় পুলিশের চেকপোস্ট ছিল, নিরাপত্তা ভালো ছিল। এখন সড়কে পুলিশ থাকে না বললেই চলে। সিএনজিচালক আবুল কালাম বলেন, সবচেয়ে বেশি ছিনতাই হয় নারায়ণগঞ্জের লিংক রোডের ভুইগর চানমারি এলাকায়। একসময় রাত ১১টা পর্যন্ত সিএনজি চালালেও এখন চালাই ৮টা পর্যন্ত। অটোরিকশাচালক পারভেজ বলেন, শহরে ছিনতাইকারী বেড়েছে। আগে সড়কে অনেক পুলিশ দেখা যেত। এখন তাদের ডাকলেও আসতে চায় না। পুলিশ ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করলে এ সংকট কমে যেত।
স্থানীয়রা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে রাতে সড়ক-মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্টগুলো তৎপর ছিল। তবে বর্তমানে আগের মতো পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায় না। এর সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা। তবে পুলিশ বলছে, পরিবহন ও জনবল সংকটের মধ্যেও তারা নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চুরি-ছিনতাই রোধেও নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বছরখানেক আগে সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান নূর। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একদল লোক সাদাপোশাকে এসে অস্ত্র ঠেকিয়ে আমার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে যায়। ঘটনার পর দ্রুত থানা-পুলিশ ও র্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করে জিডি করি; কিন্তু এখনো কিছু ফেরত পাইনি।’
ইমাম হাসান নামের আরেক সংবাদকর্মী বলেন, মহাসড়ক এখন অরক্ষিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগের মতো পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। সন্ধ্যা হলেই ছিনতাইকারীর সংখ্যা বেড়ে যায়। অটোরিকশা বা সিএনজিতে চলাচলের সময় অন্যদের মধ্যে কে ছিনতাইকারী আর কে সাধারণ মানুষ—তা বোঝার সুযোগ নেই। পুলিশের কাছ থেকেও তেমন সহযোগিতা মেলে না।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘চিহ্নিত কিছু স্থানে আমাদের টহল দল সব সময় অবস্থান করে। ছিনতাই রোধে প্রায়ই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। পুলিশের তৎপরতা না থাকলে অপরাধের মাত্রা আরও বেশি হতো।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে