
ময়মনসিংহে নারী শিক্ষার্থীর গোসলের ভিডিও ধারণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ভিডিও ধারণ করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। আজ মঙ্গলবার বিকেলে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার যুবকেরা হলেন আবিদুল ইসলাম আবিদ (১৯) ও তাওহিদুর রহমান লিমন (২১)। গতকাল সোমবার রাতে ভবনের ছাদ থেকে তাঁরা ভিডিও ধারণ করে নেমে পালানোর সময় আটক হন।
আজ তাঁদের বিরুদ্ধে ওই নারী শিক্ষার্থী পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করলে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে। পরে বিচারক আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা গেছে, কয়েকজন কলেজছাত্রী নগরীর একটি ভাড়া বাসায় থেকে পড়াশোনা করেন। ওই বাসার দ্বিতীয় তলায় থাকতেন কয়েকজন ছেলে শিক্ষার্থী। গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে আবিদ ও লিমন তৃতীয় তলার ছাদে উঠে শৌচাগারের ছিদ্র দিয়ে মোবাইল ফোনে এক নারী শিক্ষার্থীর গোসলের ভিডিও ধারণ করেন। বিষয়টি তাঁর নজরে এলে চিৎকার দেন। এ সময় তড়িঘড়ি করে ওই দুই শিক্ষার্থী ছাদ থেকে নেমে বের হয়ে যাওয়ার সময় আশপাশের লোকজন তাঁদের আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাঁদের মোবাইল জব্দ করে এবং ভিডিও ধারণের প্রমাণ পেয়ে আটক করে নিয়ে যায়।
মামলার বাদী নারী শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা আতঙ্কে আছি। মামলা না করতেও হুমকি এসেছে। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি সঠিক বিচার দাবি করছি।’
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জরুরি সহায়তার ৯৯৯ নম্বরে শিক্ষার্থীরা গতকাল রাতে কল দিলে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আটকের পাশাপাশি মোবাইল ফোন জব্দ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন। আটক যুবকদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আমরা ওই নারী শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা দেব।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে