পুলিশের সাবেক ডিআইজি ও মেহেরপুরের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম নাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে নাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় তাঁকে বাসা থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মরহুম ছমির উদ্দিনের বড় ছেলে ও জামায়াত নেতা তারিক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আসামি নাহিদুল ইসলাম।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রিকুইজিশনের ভিত্তিতে নাহিদুল ইসলামকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীকালে তাঁকে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই নাহিদুল ইসলামকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায় সরকার। ওই সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিধি অনুযায়ী তিনি অবসরের সব সুবিধা পাবেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে