
মাদারীপুর জেলার শিবচরে দুই পাঠাও রাইডারকে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় দুই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের আলীপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। শিবচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মাদারীপুর জেলার শিবচরের উমেদপুর ইউনিয়নের আলীপুরের মৃত হেমায়েত মুন্সীর ছেলে অপু মুন্সী (২৪) এবং একই গ্রামের কালাম উকিলের ছেলে শাওন উকিল (২২)।
শিবচর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুন ঢাকার লালবাগ এলাকা থেকে মহসিন নামের এক যুবক পাঠাও অ্যাপের মাধ্যমে রাইডার মো. হাসান আহমেদকে (৩৮) নিয়ে কামরাঙ্গীরচরে যান। এ সময় মহসিন ওই রাইডারের মোবাইল নম্বর রেখে দেন। পরে গত ২০ জুন ফোনে রাইডার হাসানকে আড়াই হাজার টাকা ভাড়ার চুক্তিতে শিবচর নিয়ে আসেন মহসিন। শিবচরের উমেদপুর ইউনিয়নের আলীপুর এলাকায় পৌঁছানোর পরই মহসিনের সহযোগী অপু মুন্সী, শাওন হোসেনসহ বেশ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রাইডার হাসানকে জিম্মি করেন। হাসানের গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন তাঁরা।
বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ও করে চক্রটি। পরে হাসানের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি রেখে দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনার পরদিন হাসান শিবচর থানায় অভিযোগ করেন।
এরপর গত ২৭ জুন ঠিক একইভাবে আরিফ হোসেন (২৭) নামে আরেক পাঠাও রাইডারকে ঢাকার কদমতলী থেকে শিবচরের উমেদপুর নিয়ে আসে এই চক্র। সেখানে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে মোটরসাইকেল নিয়ে আরিফকে ছেড়ে দেয় তারা। এ বিষয়েও শিবচর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
পরে সহকারী পুলিশ সুপার (শিবচর সার্কেল) মো. রব্বানীর নেতৃত্বে শিবচর থানা-পুলিশ অভিযানে নামে। প্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার রাতে চক্রের সদস্য অপু মুন্সী ও শাওন উকিলকে ধরা হয়। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলও জব্দ করেছে পুলিশ।
শিবচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম রেজা বলেন, ‘অপহরণকারী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করা হয়। পাঠাও রাইডারদের অভিযোগ মামলা হিসেবে নিয়ে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান চলছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে