
মাদারীপুরের রাজৈরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাস ও মিনি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পাঁচজন আহত হন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কামালদি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মিনি ট্রাক রাজৈর থেকে বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাকটি রাজৈরের কামালদি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী খান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ওই ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যাওয়ার সময় পেছনে থাকা হানিফ পরিবহনের আরেকটি বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।
এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ট্রাকচালক মো. শাকিব শেখ (২২) ও তাঁর সহকারী আমির হামজাকে (১৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শাকিব রাজৈরের পশ্চিম রাজৈর গ্রামের নান্নু শেখের ছেলে এবং আমির হামজা একই গ্রামের বাসিন্দা।
মাদারীপুর মস্তফাপুরের হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে