
লালমনিরহাটে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় বুড়িমারীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। আজ সোমবার বেলা ২টার দিকে বুড়িমারী লালমনিরহাট রেল রুটের লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশনের ওয়ার্কশেডের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও রেল বিভাগ জানায়, রাজধানী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিলম্বে লালমনিরহাট স্টেশনে পৌঁছে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। এরপর আন্তনগর এ ট্রেনটি পরিষ্কারের জন্য ওয়ার্কশেডের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময় একই লাইনে বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী ৪৬১ নম্বর বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনটি লালমনিরহাট স্টেশনে প্রবেশ করছিল। এ সময় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে যাত্রীহীন লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের দুই রেক লাইনচ্যুত হয় এবং রেল লাইন সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বুড়িমারী কমিউটারে যাত্রী থাকলেও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পর থেকে লালমনিরহাট বুড়িমারী রেলরুটে সব ধরনের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। অপর দিকে পার্বতীপুরগামী বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনটি ঘটনাস্থলে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে কমিউটারের যাত্রীরা। লাইন মেরামতসহ রেক উদ্ধারকাজ শুরু করেছে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ের নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা আরএমবি বেনজির আহমেদ বলেন, যাত্রীদের হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। যাত্রীদের নিরাপত্তা দিচ্ছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। উদ্ধারকাজও শুরু করা হয়েছে।
লালমনিরহাট রেলওয়ের লোকো দপ্তরের ডিএমই সাজিদ হাসান বলেন, রেল দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। উদ্ধারকাজ চলছে। কারও দায়িত্বের গাফিলতি থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে