ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ঢুকে পাঁচ বাংলাদেশিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার বেলা ২টার দিকে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বালাতারী সীমান্তে বারোমাসিয়া নদীর ধারে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই সীমান্তে জড়ো হয়ে বিএসএফের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় এলাকাবাসী। ওপারেও ভারতীয় নাগরিকদের জড়ো হতে দেখা গেছে। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) টহল দল গিয়ে বাংলাদেশিদের সরিয়ে দেয়।
তবে বিজিবি বলছে, বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশে প্রবেশ এবং কাউকে মারধর করেছেন কি না তা প্রাথমিক অনুসন্ধানে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঠিক কী নিয়ে সীমান্তের দুই পারে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়েছিলেন তা-ও নিশ্চিত হতে পারেনি তারা। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে বিজিবি।
পশ্চিম বালাতারী গ্রামের লোকজনের দাবি, পাঁচজন বাংলাদেশি বিএসএফের মারধরের শিকার হয়েছেন। তাঁরা হলেন শামসুল হক, জাবেদ আলী, কাশেম আলী, রিপন মিয়া ও তাজুল ইসলাম।
শামসুল হক বলেন, ‘জুমার নামাজের পর মসজিদ থেকে বের হয়ে বারোমাসিয়া নদীর পারে চিল্লাচিল্লি শুনতে পাই। একটু এগিয়ে গেলে হঠাৎ পাঁচজন বিএসএফ সদস্য বাংলাদেশের জায়গায় ঢুকে আমার দিকে তেড়ে আসে। একজন রাইফেল তুলে মারতে ধরলে আমি রাইফেল ধরে ফেলি। তখন আরেকজন লাঠি দিয়ে আমার হাতে ও চরুতে (ঊরুতে) মাইর দেয়। এ সময় আমার সাথে বেলাল ও জাবেদ ছিল। জাবেদকেও মারধর করে বিএসএফ।’
মারধরের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে শামসুল বলেন, ‘কেন আসি মারধর করল তা জানি না। তবে ওদের দিকেও লোকজন জড়ো হইছিল। তাদেরও বিএসএফ মারছে। কী হইছিল তা জানি না।’
শামসুলকে মারধর করতে দেখে এগিয়ে গেলে জাবেদ, কাশেম, রিপন ও তাজুলকেও কিলঘুষি মারেন বিএসএফ সদস্যরা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় নারী মঞ্জু বেগম বলেন, ‘আমি বাড়ির পাশে নদীর ধারে বসেছিলাম। হঠাৎ দেখি বিএসএফ বাংলাদেশে ঢুকছে। এ সময় শামসুল ভাই তাদের বলল, “তোমরা এখানে আসছেন কেন? তোমরা যাও, দাদা যাও।” এই কথা বলার সাথে সাথে তাকে ধরি মারছে। হামরা দৌড় বাড়ি আসছি।’
বিএসএফের এমন আচরণের প্রতিবাদে এলাকাবাসী সীমান্তে জড়ো হন। খবর পেয়ে বিজিবি ১৫ ব্যাটালিয়নের গোরকমন্ডল ক্যাম্পের হাবিলদার দেলবর হোসেনসহ কয়েকজন বিজিবি সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁরা এলাকাবাসীকে সরিয়ে দেন।
বিএসএফ সদস্যদের বাংলাদেশে ঢোকার কারণ সম্পর্কে কথা হলে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ভারতের সাহেবগঞ্জ থানাধীন নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্পের পাঁচজন বিএসএফ সদস্য সীমান্ত পিলার ৯৩০-এর ৮-এস পিলারের কাছে আসেন। তাঁরা সম্ভবত ভুলে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। এলাকাবাসী শুনছিলেন, ওপারে নতুন বিএসএফ সদস্য এসেছেন। তাঁরা হয়তো এখনো সীমান্ত এলাকা সম্পর্কে ভালো বুঝে উঠতে পারেননি।
মারধরের কারণ সম্পর্কে একটি সূত্র জানায়, সীমান্তে যাওয়া এক চোরাকারবারিকে ধাওয়া করতে গিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন বিএসএফের পাঁচ সদস্য। এ সময় কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে মুখোমুখি হলে তাঁদের ওই চোরাকারবারির সহযোগী ভেবে মারধর করেন তাঁরা। তবে এ তথ্যের সমর্থনে আর কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালমনিরহাট বিজিবি ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাকিল আলম বলেন, ‘বিএসএফ আদৌ বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুরো বিষয় নিয়ে আমরা অনুসন্ধান করছি। বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীকে সরিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, একটি ট্রাক ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ডাকাত দলটি ডাকাতি করতে গিয়েছিল। ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রামবাসী তাদের ধরে ফেলে। এরপর তাদের গণপিটুনি দেওয়া হয়। সকালে খবর পেয়ে তাঁরা আটজনকে উদ্ধার করেন।
২৫ মিনিট আগে
রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাত থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও অংশের লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কারকাজ শুরু হয়। সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচলে ধীর গতি তৈরি হওয়ায় এর প্রভাব পড়ে পুরো মহাসড়কে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সোনারগাঁও অংশের সেই যানজট গজারিয়া অংশেও ছড়িয়ে পড়ে।
২৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের তেমুহনী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত আটটি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পারভেজ নামে এক দোকানকর্মী আহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, শহরের মাহবুবনগর এলাকায় রোববার সকালে সাইফুল ইসলামের কেনা জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে বিজয় নামের এক যুবক তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে সাইফুল ইসলামের কাজে বাধা দেন। তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে সাইফুল ইসলামকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে প্রতিপক্ষের লোকজন।
১ ঘণ্টা আগে