
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ, খুলনা রেঞ্জের অধীনস্থ শাকবাড়িয়া নদীসংলগ্ন এলাকা থেকে ৪৮ কেজি হরিণের মাংসসহ মো. দিদারুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে আরও ১১৫ কেজি মাছ, দুটি নৌকাসহ হরিণ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। আটক দিদারুল মহারাজপুর গ্রামের মৃত হামিদ গাজীর ছেলে।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা অভিযান চালিয়ে হরিণের মাংসসহ এই শিকারিকে আটক করেন। এ সময় বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও একজন শিকারি পালিয়ে যান।
কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দীন বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত অভিযান চলাকালে শাকবাড়িয়া নদীসংলগ্ন এলাকা থেকে ৪৮ কেজি হরিণের মাংসসহ শিকারি মো. দিদারুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ১১৫ কেজি মাছ, দুটি নৌকা ও হরিণ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।’
নাসির উদ্দীন আরও জানান, অভিযানকালে বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে ১ নম্বর কয়রা গ্রামের হাবিবুর সরদারের ছেলে মনিরুল সরদার পালিয়ে গেছেন। এ বিষয়ে বন আইনে মামলা করা হয়েছে এবং জব্দ করা মাছ ও হরিণের মাংস আদালতের মাধ্যমে বিনষ্ট করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে