
ঝিনাইদহে প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে চার বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা। হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন তাঁরা। এই সময় রাস্তার দুই পাশে প্রায় দেড় কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নিহত শিশুর মা ফাতেমা বলেন, ‘আমার মেয়েকে নিয়ে মেরে ফেলেছে। আমার বুক খালি করে দিয়েছে। আমার মেয়ের গালের মধ্যে গামছা ভরে পা দিয়ে চেপে ধরে মেরে ফেলেছে। আমি হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।’

এলাকাবাসী বলেন, ‘ওই মহিলা নিরপরাধ শিশুকে হত্যা করেছে। মা-বাবা, ভাই কোনো অপরাধ করতে পারে, কিন্তু ছোট এই শিশুটি কী অপরাধ করতে পারে! তাকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যা করতে হবে! আমরা এই হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।’
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘একটা শিশু হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তার লাশ যে ঘরে পাওয়া গিয়েছিল, তাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। হত্যাকারীর বিচার চেয়ে স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করেছে। আমি এসে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এখন পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। হাসপাতাল থেকে মরদেহ এসে পৌঁছালেই তারা রাস্তা থেকে সরে যাবে বলে জানিয়েছে।’
এর আগে গতকাল বুধবার রাতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পবাহাটি গ্রামে প্রতিবেশীর খাটের নিচ থেকে শিশু সাবার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সাবা ওই গ্রামের ভ্যানচালক মো. সাইদুল ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় সাইদুল ইসলামের প্রতিবেশী আক্তারুজ্জামান মাসুদের স্ত্রী সান্তনা খাতুনকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে