
খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ঘের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় এলাকাবাসী অভিযুক্ত শফি গাজী ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার কাটাখালী বাজারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মন্টু, মহিলা দলের নেত্রী রেহানা পারভীন, যুবদলের নেতা মোস্তফা গাজী, আহত মিজানুরের ছেলে ইমরান সরদার, শেখ বজলুর রহমান, শাহরিয়ার বাবু, শেফালী বেগম, লুৎফর রহমান ও রহিমা খাতুন।
এ সময় বক্তারা বলেন, সন্ত্রাসী শফির কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মাদক কারবার থেকে শুরু করে ডাকাতি, লুটপাট, চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড করছেন শফি ও তাঁর লোকজন। তাঁর অত্যাচারে ব্যবসায়ী, নারীসহ সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। এ ছাড়া বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে শফি, আনারুল, রফিক, শাকিল ও শহিদুল ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এর আগে ঈদুল আজহার দিন গত শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের শ্রীকণ্ঠপুর গ্রামের নিজ বসতবাড়িতে ঘের ব্যবসায়ী মিজানুরকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায় শফি গাজী। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তেজিত হয়ে ওই রাতেই শফি গাজীর বসতবাড়িতে এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় স্থানীয় জনতা শফির বসতবাড়ি ও তাঁর সহযোগীর ওষুধের দোকান থেকে দা, ছুরি, চায়নিজ কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশের কাছে জমা দেয়। পরে গত রোববার সকালে থানা-পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে