
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে অপহরণের পর হত্যার শিকার মাদ্রাসাছাত্র মো. সোহেল হত্যার প্রতিবাদে এবং গ্রেপ্তার খুনিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি শাপলা চত্বর থেকে পরিবারবর্গ ও এলাকাবাসীর ব্যানারে মিছিলটি শুরু হয়ে আদালত চত্বরে গিয়ে মানববন্ধনে মিলিত হয়। এতে বক্তব্য দেন পাড়া কারবারি (পাড়াপ্রধান) অংসাজাই মারমা, আব্রে মারমা, সোহেলের মা রাবেয়া আক্তার, নানা আবদুর রহিম, আবদুল জব্বার, গ্রাম সর্দার মোসলেম উদ্দিন, ছাত্রনেতা মো. সাকিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির ও খাগড়াছড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক এস এম মাসুম রানা।
সোহেলের মা রাবেয়া বলেন, ‘একমাত্র সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে আমি প্রবাসে কষ্ট করছি। মৃত্যুর ১৫ দিন আগে আমার হৃদয়ছেঁড়া সন্তানের সঙ্গে আমার কথা হয়। আমাকে বলে, মা তুমি আসবে আসবে বলেও আসছ না কেন? আমি বলি, বাবা এটা গাড়ির পথ না, বিমানের পথ। আসতে চাইলেও যখন-তখন আসা যায় না। আমি আসার সব প্রস্তুতি নিচ্ছি, তুমি অপেক্ষা করো। কিন্তু সন্ত্রাসীরা আমার সন্তানকে অপেক্ষা করতে দিল না। আমি একজন সন্তানহারা মা। আমি চাই হত্যায় জড়িত প্রত্যেকের ফাঁসি নিশ্চিত করা হোক। প্রত্যেকের মরদেহ যেন কারাগার থেকে বের হতে দেখি।’
উল্লেখ, ৪ জুলাই মানিকছড়ি উপজেলার ঘোরখানা থেকে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সোহেলকে (১৪) অপহরণের ১২ দিন পর দুর্গম বুদংপাড়ার একটি ছড়া থেকে তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। এ ঘটনায় করা মামলায় দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে মূল পরিকল্পনাকারী মংসানু মারমাসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। যার মধ্যে পাঁচজন এজাহারভুক্ত আসামি।

প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
৩৪ মিনিট আগে
সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘অভিযুক্তের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশও ওই বিরোধকে তদন্তের অন্যতম বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো। আমি কঠিন শাস্তি দাবি করছি।’
৪৪ মিনিট আগে
মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
২ ঘণ্টা আগে