
ঝিনাইদহে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকালে সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশুরা হলো দোগাছী গ্রামের রিপন মণ্ডলের ছেলে লামিম হুসাইন (৫) এবং আড়ুয়াকান্দি গ্রামের উজ্জল হোসেনের ছেলে অর্পণ (৭)। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুপাতো ভাই।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামে রিপন মণ্ডলের (ফুপা) বাড়িতে দাদির সঙ্গে বেড়াতে আসে অর্পণ। আজ শনিবার সকালে লামিম ও অর্পণ পার্শ্ববর্তী খালে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে যায়। সে সময় অসাবধানতাবশত তারা পানিতে পড়ে যায়।
কিছুক্ষণ পর খালের পাড়ে তাদের দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও এলাকার মানুষ খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এরপর ওই খালের পানিতে ভাসতে দেখে তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক শিশু দুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফারহানা শারমিন বলেন, ‘আমরা শিশু দুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে পেয়েছি। হাসপাতালে আসার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খালের পানিতে ডুবে ফুপাতো-মামাতো দুই ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে