
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ছাত্রদলের বহিষ্কৃত দুই নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আজ বৃহস্পতিবার যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক আবু সাঈদ।
অভিযুক্ত আসামিরা হলেন ঝিকরগাছার গদখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন হোসেন বাপ্পী, ইউনিয়ন ছাত্রদলের বহিষ্কৃত দপ্তর সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, জাবেদ হোসেন ও আমিনুর রহমান। তাঁরা কারাগারে রয়েছেন।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী বলেন, ‘ঝিকরগাছার চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলার তদন্ত শেষে চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিদের সবাই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।’
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ দুপুরে ভুক্তভোগী নারী তাঁর শিশুসন্তানকে নিয়ে বেনাপোল আত্মীয়ের বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি মনিরামপুরের উদ্দেশে রওনা হন। পথে ঝিকরগাছার গদখালী বাজারে নামেন ওই নারী। সেখানে একটি ফুলের দোকানে ইয়াসিন আরাফাত নামে যুবকের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। দোকানে কথাবার্তার একপর্যায়ে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে আসামি জাবেদ হোসেনের মোটরসাইকেলে তুলে দেন আরাফাত। এরপর অপর তিন আসামি একটি মোটরসাইকেলে তাঁদের পিছু নেন। পরে তাঁরা ওই নারীকে একটি বাগানে নিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।
অসুস্থ হয়ে পড়া ওই নারী জাতীয় জরুরি সহায়তার ৯৯৯ নম্বরে ফোন কল করলে ঝিকরগাছা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি ওই নারীকে উদ্ধার করেন। পরে মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে সন্ধ্যায় চারজনকে আটক করে। পরে এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে