গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদ থেকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১টার দিকে শিশুটি নদে ডুবে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর বলা আড়াইটার দিকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করেন টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।
শিশুর নাম সাজিদ (৭)। সে টঙ্গীর বউবাজার এলাকার শামিম আহম্মেদের ছেলে। তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. শাহিন আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শাহিন আলম বলেন, আজ দুপুরে টঙ্গীর বউবাজার এলাকায় তুরাগ নদের ওপর রেল সেতুর নিচে বন্ধুদের সঙ্গে সাঁতার কাটতে যায়। এ সময় সাজিদ নদে ডুবে যায়। পরে আশপাশের লোকজন টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের খবর দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা শিশুটির লাশ উদ্ধার করেন।
টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি। লাশ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে আনা হবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে