গাজীপুরের টঙ্গীতে ট্রেনে কাটা পড়ে সিফাত (২১) নামের এক নার্সিং শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুরে টঙ্গীর কেরানিটেক বস্তি-সংলগ্ন রেললাইনে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত সিফাত গাজীপুরে কাপাসিয়া উপজেলার বড় রামপুর গ্রামের মোতাহারের ছেলে। তিনি ঢাকার মিরপুরে সাইক নার্সিং কলেজের তৃতীয় বর্ষে লেখাপড়া করতেন।
পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নার্সিং কলেজের পরীক্ষায় অংশ নিতে আজ ভোরে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন সিফাত। দুপুরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী এগারো সিন্ধুর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁর লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর পাঠায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরিচয় শনাক্তের পর পুলিশ সিফাতের মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানায়।
টঙ্গী রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, ওই শিক্ষার্থী কীভাবে ট্রেনে কাটা পড়লেন তা জানা যায়নি। পরিবারের সদস্যদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশটি হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে