
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ‘ভুল’ চিকিৎসায় প্রসূতি মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ‘মা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোম’ সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধার সিভিল সার্জন মো. রফিকুজ্জামান।
এর আগে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে ওই ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের পরদিন ভোর ৪টার দিকে প্রসূতি ও নবজাতক দুজনেই মারা যান। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা ক্লিনিকটিতে ভাঙচুর চালান। নিহত প্রসূতি পারুল বেগম (২৫) পলাশবাড়ী পৌর শহরের জামালপুর এলাকার বাদশা মিয়ার মেয়ে ও উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের বিশ্রামগাছী গ্রামের শামিম মিয়ার স্ত্রী।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন মো. রফিকুজ্জামান বলেন, মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্লিনিকটি অস্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনার পর রাতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
সিভিল সার্জন আরও জানান চিকিৎসক বা অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞের অবহেলার কারণেই এ ধরনের মৃত্যু হতে পারে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগেও একই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় দেড় মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে