
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিখোঁজের আট ঘণ্টা পর মুশফিকা জান্নাত (৮) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপাড়া এলাকার ঢেপা নদী থেকে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুশফিকার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মুশফিকা উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের কল্যাণী গুচ্ছ গ্রামের মাসুদ রানার মেয়ে।
নিহত শিশুকন্যার চাচা তরিকুল ইসলাম জানান, গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে নিখোঁজ হয় মুশফিকা। পরে পরিবারের লোকজন সব জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে রাতে নৌকা নিয়ে নদীতে খোঁজাখুঁজিতে রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে সাদুল্লাপাড়া এলাকায় উদ্ধার করে রাতেই দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
বীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. মসলেম উদ্দিন জানান, শিশুকন্যাটি নিখোঁজের খবর পেয়ে একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তৎপরতা চালিয়ে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে এ বিষয়ে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শিশু মুশফিকাকে উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিসুর রহমান আনিস লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে