
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার একমাত্র চর মাঝিয়ালির বাসিন্দারা চলাচলের জন্য অবশেষে একটি নৌকা পেয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চরবাসীদের হাতে নৌকা বুঝিয়ে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান সরকার।
গত শুক্রবার (১৫ আগস্ট) ‘নৌকা আকৃতির চরে নেই পারাপারের নৌকা’ শিরোনামে আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন চরবাসীদের নৌকা দেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
নৌকা পেয়ে চরের বাসিন্দারা আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মাঝিয়ালির চরের বাসিন্দা আব্দুল লতিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের উদ্যোগে নৌকা পেয়ে আমরা খুব খুশি। আগের দেওয়া নৌকা অকেজো হওয়ায় বর্ষাকালে চলাচল কঠিন হয়ে যায়, এখন সহজেই যাতায়াত করতে পারব।’
ইউএনও কামরুজ্জামান সরকার বলেন, ‘চরের মানুষের দুর্ভোগের কথা জানতে পেরে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। নৌকা দেওয়ার ফলে তারা এখন সহজে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতে পারবে। চরবাসীর পাশে সব সময়ই উপজেলা প্রশাসন থাকবে।’
চরবাসীদের হাতে নৌকা দেওয়ার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমূল হক, আলোকঝাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে