
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার এনায়েতপুর সীমান্ত দিয়ে আরও ১৩ জন বাংলাদেশি নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ। বাংলাদেশের ভেতরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির সদস্যরা তাদের আটক করেছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন পুরুষ, দুজন নারী ও ৯টি শিশু রয়েছে।
৪২ বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন জানায়, আজ মঙ্গলবার (১০ জুন) আনুমানিক ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে উপজেলার এনায়েতপুর বিওপির সীমানা পিলার ৩২২/৬-এস বরাবর ভারতের ভেতর থেকে ১৩ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেন বিএসএফ সদস্যরা। এরপর বিজিবির এনায়েতপুর ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের আটক করেন।
এর আগে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দুরিয়া সীমান্ত পিলার ৩৩৮/৫-এস দিয়ে সাত বাংলাদেশিকে পুশ ইন করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবির চান্দুরিয়া বিওপির সদস্যরা তাদের আটক করেন। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ, দুজন নারী ও ৩টি শিশু রয়েছে।
আজ দুপুরে ৪২ বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। আটক ব্যক্তিরা সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কাজের সন্ধানে দালালের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকা পাড়ি দিয়ে ভারতের হরিয়ানা ও দিল্লিতে গিয়েছিল। আনুমানিক আট-দশ দিন আগে ভারতীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে গত ৯ জুন বাংলাদেশ সীমান্তে নিয়ে আসে। পরে সময় বুঝে তাদের পুশ ইন করে।
এ সময় আরও জানানো হয়, আটক ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ায় দিনাজপুরের বিরল উপজেলার এনায়েতপুর সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন হওয়া ১৩ জনকে বিরল থানায় এবং ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দুরিয়া সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন হওয়া সাতজনকে পীরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিজিবির পক্ষ হতে আজ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পৃথকভাবে দুটি পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এ বিষয়ে দিনাজপুরের বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সবুর বিরল উপজেলার এনায়েতপুর সীমান্তে আটক হওয়া ১৩ জনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে জানিয়ে আজকের পত্রিকাকে জানান, আটক ব্যক্তিদের তাদের পরিবারের সদস্যদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৯ মে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার এনায়েতপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি সন্দেহে ১৩ জন নারী-পুরুষকে পুশ ইন করে বিএসএফ। বাংলাদেশের ভেতরে বিজিবির সদস্যরা তাদের আটক করে বিরল থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে