দিনাজপুরের বিরলে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফলিস চন্দ্র রায় (৪০) নামের এক চালক নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ধামইড় ইউনিয়নের ধুকুরঝাড়ী-কাহারোল সড়কের গিরিধরপুর এলাকায় আমগাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, নিহত ফলিস উপজেলার রাণীপুকুর ইউনিয়নের বোর্ডহাট (মাধবপুর) গ্রামের মৃত প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি বোর্ডহাট মহাবিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির একজন কর্মচারী ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে এক আত্মীয়সহ মোটরসাইকেলযোগে কাহারোল উপজেলার মুটুনির হাটের উদ্দেশে রওনা হন। পথের রাত ৮টার দিকে ধুকুরঝাড়ী-কাহারোল সড়কের গিরিধরপুর এলাকার রাস্তাসংলগ্ন আমগাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাথায় আঘাত পান। এ সময় পথচারীরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিরল থানার উপপরিদর্শক এসআই অশ্বিনী রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আমরা রোববার সারা রাত অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে শাহজাদপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
৮ মিনিট আগে
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো বিদ্যালয় থেকেই রোপণ করা হয়েছিল এবং জমিটিও বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। যদি তৈয়ব হোসেন মামলায় জমি পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল।
১৫ মিনিট আগে
তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তাঁর ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা।
২৪ মিনিট আগে
প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
১ ঘণ্টা আগে