
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্যাম্পাসে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এখন পর্যন্ত নিহত ব্যক্তিদের সংখ্যা ও নামের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে উল্লেখ করা রয়েছে, আজ বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে।
মৃতদের মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৩ জন, ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১৫, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এক, লুবানা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে এক ও গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে একজন রয়েছে।
বার্ন ইনস্টিটিউটে নিহত ব্যক্তিরা হলো তানভীর (১৪), আফনান ফাইয়াজ (১৪), মাহরীন (৪৬), বাপ্পি (৯), মাসুকা (৩৭), এবি শামীম (১৪), সায়ান ইউসূফ (১৪), আরিকসন (১৩), আরিয়ান (১৩), নাজিয়া (১৩), নাফি (১৯), মাহতাব উদ্দিন ভূঁইয়া (১৩) ও মাহিয়া তাসনিম (১৫)।
সিএমএইচে নিহত ব্যক্তিরা হলো রজনী ইসলাম (৩৭), মো. সামিউল করিম (৯), ফাতেমা আক্তার (৯), মেহনাজ আফরিন হুমায়রা (৯), সারিয়া আক্তার (১৩), নুসরাত জাহান আনিকা (১০), সাদ সালাউদ্দিন (৯), সায়মা আক্তার (৯) ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম।
এই হাসপাতালে আরও ছয়জনের লাশ অশনাক্ত হিসেবে মর্গে ছিল। তাদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে সিআইডি। আজ বিকেলে সিআইডি তাদের পরিচয় শনাক্ত করে। ওই পাঁচ শিক্ষার্থী হলো ওকিয়া ফেরদৌস নিধি, লামিয়া আক্তার সোনিয়া, আফসানা আক্তার প্রিয়া, রাইসা মনি ও মারিয়াম উম্মে আফিয়া।
ঢামেকে জুনায়েদ (৯) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
লুবানা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তালিকায় এই ব্যক্তির মৃত্যুর হিসাব পাওয়া গেলেও সিআইডির কাছে এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। সিআইডি বলছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজনের (সিএমএইচের মর্গে থাকা লাশ) পরিচয় শনাক্ত হয়নি।
আর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে ওমায়ের নূর আশফিক নামের ১১ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে