রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তের গুলিতে শানেমাজ (৩৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি একটি রেস্টুরেন্ট কাজ করতেন।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পের হুমায়ুন রোডে গুলির এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় শানেমাজকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক রাত পৌনে ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বোন নাসরিন আক্তার জানান, তাঁরা জেনেভা ক্যাম্পের ৮ নম্বর রোডে থাকেন। একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি করতেন শানেমাজ। রাতে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। তখন হুমায়ুন রোডে জালাল ডেকোরেটরের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন। খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বাবা মৃত আবু বক্কর সিদ্দিক।
হাসপাতালে আহত ব্যক্তির সঙ্গে আসা শফিক নামে একজন জানান, জেনেভা ক্যাম্পের বাইরে দুইপক্ষের গোলাগুলি চলছিল। এ সময় শানেমাজ সেখান দিয়ে ক্যাম্পে আসার সময় গুলিবিদ্ধ হন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মোহাম্মদপুর থেকে ওই যুবককে স্বজনেরা মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনেরা জানান, জেনেভা ক্যাম্পের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে