রাজধানীর বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় পোশাক কারখানার এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে হাসপাতালে নিলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত আনিছ মিয়া (২৫) চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার শিখা নামের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তাঁর বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার বড়তিরশা গ্রামে। বাবার নাম মজিবর রহমান। বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে বনানী কড়াইল বস্তিতে থাকতেন তিনি।
আনিছ মিয়ার ভাই মো. আশিক মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুপুরে আনিছের মোবাইল ফোন থেকে একজন ফোন করে বলে, আনিছ চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত হয়ে পড়ে আছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি, আনিছ রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, বনানী থেকে স্বজনেরা ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনেরা জানান, ট্রেনের ধাক্কায় প্রথমে আনিছ আহত হয়েছিলেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে