রাজধানীর কদমতলীর শ্যামপুরে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় আবুল বাশার (৭০) নামের এক নিরাপত্তাকর্মী মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্যামপুর ঢাকা ম্যাচ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় সহকর্মীরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত ব্যক্তির সহকর্মী মো. আল-আমিন জানান, রাতে শ্যামপুর ঢাকা ম্যাচ এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন তিনি। এ সময় একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কায় আহত হন। দেখতে পেয়ে তাঁকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনগণ প্রাইভেট কারটি আটক করে।
সহকর্মী আল-আমিন আরও জানান, মৃত আবুল বাশারের বাড়ি চাঁদপুর জেলার উত্তর মতলব থানা এলাকায়। বর্তমানে শ্যামপুর ঢাকা ম্যাচ এলাকায় থাকতেন এবং সেখানে একটি কারখানার নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কদমতলী থানা-পুলিশ তদন্ত করছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে