ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) বন্দী আসলাম ভূঁইয়া (৫৫) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কারারক্ষীরা অচেতন অবস্থায় ওই বন্দীকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া ওই বন্দীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
কারা সূত্রে জানা গেছে, আসলাম ভূঁইয়ার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার ধরিকান্দী গ্রামে। বাবার নাম মৃত ওয়াজী উদ্দীন ভূঁইয়া। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের-১১/০৬, রূপগঞ্জ থানার মামলা নং-৯ (১১) ০৫, জি আর-৫১৬/০৫, ধারা-৩০২/৩৪ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন তিনি। তাঁর কয়েদি নম্বর ১৯৬/এ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে