ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) বন্দী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ইকবাল হোসেন (৩২) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
আজ রোববার সকাল পৌনে ৯টার দিকে কারারক্ষীরা ওই বন্দীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ এএসআই মো. মাসুদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।’
ঢাকা মেডিকেলে দায়িত্বরত কারারক্ষী মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ওই বন্দীর বাড়ি কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার চম্পকনগর গ্রামে। বাবার নাম মো. হোসেন মিয়া। তিনি কুমিল্লার কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। তার কয়েদি নম্বর ৩৫৪০ /এ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে