আজকের পত্রিকা ডেস্ক
জাতীয় চার নেতাকে হত্যার দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনসহ তিন দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি ডেকেছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ রোববার বিকেল ৪টায় তিনি রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালসংলগ্ন সাকুরা রেস্টুরেন্টের সামনে উপস্থিত হন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
পদযাত্রা কর্মসূচি শুরুর আগেই বিকেল ৫টায় প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের প্রতিনিধি এসে দাবিসংবলিত স্মারকলিপি নিয়ে গেলে, পরে আর পদযাত্রা করার প্রয়োজন হয়নি। তবে এ সময় সাকুরা রেস্টুরেন্টের উল্টো পাশে শতাধিক পুলিশকে রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে (সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামান) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই কলঙ্কিত দিনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনসহ তিন দফা দাবি করেছেন সোহেল তাজ। বাকি দুটি দাবি হচ্ছে—১০ এপ্রিল ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ ঘোষণা করতে হবে এবং জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সব ব্যক্তির অবদান ও জীবনীসহ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যথাযথ মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তকে ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সোহেল তাজ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সোহেল তাজ বলেন, ‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানুষ এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল, যে দেশে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে না। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তরুণেরা যে দাবি নিয়ে এসেছেন, সেটা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। আজকে নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করতে চাচ্ছে। তবে দুর্ভাগ্য আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারিনি এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারিনি। যার কারণে বাংলাদেশকে ধ্বংসের পথে বারংবার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে তরুণদের আত্মাহুতির মাধ্যমে আরেকটা সুযোগ পেয়েছি, বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করার। মুক্তিযুদ্ধে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের অবদান তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারলে, তাঁরা অনুপ্রাণিত হবে। অনুপ্রেরণা দিয়েই আমরা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব।’
আজকের পদযাত্রা শেষ পদযাত্রা উল্লেখ করে সোহেল তাজ বলেন, ‘আজকের এই পদযাত্রা আমার শেষ পদযাত্রা। ব্যক্তিগতভাবে আমি লজ্জিত। আমার পথে নামতে হচ্ছে এই দাবিগুলো নিয়ে। এটা রাষ্ট্রের বাস্তবায়ন করার কথা।’ তিনি বলেন, ‘কোনো পরিবার বা আমার পিতার জন্য এই আন্দোলন না। এই পদযাত্রা করেছি বাংলাদেশকে ভালোবেসে। আমি চাই আমার সন্তান, আপনাদের সন্তান যেন সুন্দর বাংলাদেশ পায়।’
জাতীয় চার নেতাকে হত্যার দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনসহ তিন দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি ডেকেছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ রোববার বিকেল ৪টায় তিনি রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালসংলগ্ন সাকুরা রেস্টুরেন্টের সামনে উপস্থিত হন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
পদযাত্রা কর্মসূচি শুরুর আগেই বিকেল ৫টায় প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের প্রতিনিধি এসে দাবিসংবলিত স্মারকলিপি নিয়ে গেলে, পরে আর পদযাত্রা করার প্রয়োজন হয়নি। তবে এ সময় সাকুরা রেস্টুরেন্টের উল্টো পাশে শতাধিক পুলিশকে রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে (সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামান) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই কলঙ্কিত দিনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনসহ তিন দফা দাবি করেছেন সোহেল তাজ। বাকি দুটি দাবি হচ্ছে—১০ এপ্রিল ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ ঘোষণা করতে হবে এবং জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সব ব্যক্তির অবদান ও জীবনীসহ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যথাযথ মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তকে ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সোহেল তাজ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সোহেল তাজ বলেন, ‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানুষ এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল, যে দেশে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে না। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তরুণেরা যে দাবি নিয়ে এসেছেন, সেটা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। আজকে নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করতে চাচ্ছে। তবে দুর্ভাগ্য আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারিনি এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারিনি। যার কারণে বাংলাদেশকে ধ্বংসের পথে বারংবার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে তরুণদের আত্মাহুতির মাধ্যমে আরেকটা সুযোগ পেয়েছি, বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করার। মুক্তিযুদ্ধে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের অবদান তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারলে, তাঁরা অনুপ্রাণিত হবে। অনুপ্রেরণা দিয়েই আমরা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব।’
আজকের পদযাত্রা শেষ পদযাত্রা উল্লেখ করে সোহেল তাজ বলেন, ‘আজকের এই পদযাত্রা আমার শেষ পদযাত্রা। ব্যক্তিগতভাবে আমি লজ্জিত। আমার পথে নামতে হচ্ছে এই দাবিগুলো নিয়ে। এটা রাষ্ট্রের বাস্তবায়ন করার কথা।’ তিনি বলেন, ‘কোনো পরিবার বা আমার পিতার জন্য এই আন্দোলন না। এই পদযাত্রা করেছি বাংলাদেশকে ভালোবেসে। আমি চাই আমার সন্তান, আপনাদের সন্তান যেন সুন্দর বাংলাদেশ পায়।’
বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ধুঁকছে নানা সংকটে। স্যাঁতসেঁতে কক্ষ। নেই বসার পর্যাপ্ত জায়গা। আলোকস্বল্পতাও প্রকট। সকাল ৯টায় খোলা হলেও সামান্য দেরিতে গেলে বসার জায়গা পান না শিক্ষার্থীরা। এসব সমস্যার সমাধানসহ শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও লাইব্রেরি খোলা রাখার...
৩১ মিনিট আগেনীলফামারীর চিলাহাটি থেকে সৈয়দপুর হয়ে রাজশাহী রুটে বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেস নামের দুটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন এ দুই ট্রেনে ১০ থেকে ১২ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। অথচ মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন কোচ দিয়ে চলছে ট্রেন দুটি।
১ ঘণ্টা আগেময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামের মাইজভান্ডারি মতাদর্শের অনুসারী সোহেল রানা। তিনি গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে কবিরাজি করতেন। মাজারে মাজারে ঘুরে দিনপাত করতেন। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সোহেলকে একটি ইটভাটায় ডেকে নেয় সুমন বাহিনী। প্রথমে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগেপ্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ হাসপাতালের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন উপদেষ্টা। রাত সাড়ে ১২টার পর হাসপাতালের বিকল্প আরেকটি গেট (বাগান গেট) দিয়ে তিনি বের হয়ে যান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
২ ঘণ্টা আগে