ময়মনসিংহ-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ ওয়াহেদসহ চারজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন পৃথক পৃথক আদেশে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন—সাবেক উপসচিব মো. দিদারুল আলম চৌধুরী, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ছেলে রাহাত মালেক ও জনৈক মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এসব আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, উপপরিচালক মোজাম্মিল হোসেন, উপপরিচালক মো. ফজলুল হক ও সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান পৃথক চারটি আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত এসব আবেদন মঞ্জুর করেন।
দুদকের আবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের তথ্য এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগ দুদক অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে। দুদক বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছে, অভিযুক্তরা যে কোনো সময় দেশত্যাগ করতে পারেন। তাঁরা দেশত্যাগ করলে অনুসন্ধান ও তদন্ত কাজ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রয়োজন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে