
লেখক ও গবেষক বদরুদ্দীন উমরকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। আজ সোমবার সকালে তাঁর মরদেহ রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। সকাল ১০টার পর থেকে শুরু হয় শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা বদরুদ্দীন উমরকে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানাতে আসেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও।
শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন ভাবুক ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, জনগণকে নির্মাণ করার যে জীবন্ত প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার সূত্রগুলো যাদের হাত ধরে এসেছে তাঁদের মধ্যে বদরুদ্দীন উমর অন্যতম। ক্রিটিক্যালি পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে তাঁকে আত্মস্থ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বদরুদ্দীন উমরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেল, পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা।
বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে তাঁর জানাজা শেষে জুরাইন কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
গতকাল রোববার রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মারা যান বদরুদ্দীন উমর। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি ছিলেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে